Personal

নতুন করে শুরু, নিজের কিছু কথা

একজন মানুষের পরিচয় শুধু তার পেশা, পদবি কিংবা অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না

জীবনের একটা বড় অংশ কেটে যায় নানা ব্যস্ততায়। পড়াশোনা, কাজ, দায়িত্ব, স্বপ্ন, প্রত্যাশা আর বাস্তবতার সঙ্গে তাল মেলাতে মেলাতে কখন যে সময়গুলো পেছনে পড়ে যায়, তা অনেক সময় টেরও পাওয়া যায় না। একসময় পেছনে তাকিয়ে মনে হয়, কত কিছু ঘটে গেল, কত মানুষের সঙ্গে পরিচয় হলো, কত অভিজ্ঞতা জমা হলো, অথচ সেগুলোর অধিকাংশই কোথাও লেখা হয়নি।

অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম, নিজের জন্য একটা জায়গা থাকা দরকার। যেখানে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে লেখার বাধ্যবাধকতা থাকবে না, কাউকে সন্তুষ্ট করার প্রয়োজন হবে না, কিংবা প্রতিটি কথার পেছনে কোনো উদ্দেশ্য খুঁজতে হবে না। নিজের চিন্তাভাবনা, অভিজ্ঞতা, ভালো লাগা, খারাপ লাগা আর জীবনের ছোট-বড় ঘটনাগুলো নিজের মতো করে লিখে রাখা যাবে।

সেই ভাবনা থেকেই এই ব্লগের শুরু।

নিজের সম্পর্কে কিছু কথা

আমি শাহ নাওয়াজে পাভেল। পেশাগতভাবে একজন সফটওয়্যার ডেভেলপার এবং উদ্যোক্তা। বর্তমানে নিজের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন পণ্য এবং সেবা নিয়ে কাজ করছি।

তবে এই পরিচয়গুলো আমার জীবনের একটি অংশমাত্র। প্রতিটি মানুষেরই নিজস্ব কিছু চিন্তা থাকে, কিছু বিশ্বাস থাকে, কিছু অপূর্ণতা থাকে। থাকে এমন অনেক অভিজ্ঞতা, যেগুলোর সঙ্গে পেশাগত পরিচয়ের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই, অথচ সেগুলোই মানুষটিকে ধীরে ধীরে গড়ে তোলে।

আমার ক্ষেত্রেও বিষয়টি আলাদা নয়। ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি আমার একটা অদ্ভুত আকর্ষণ ছিল। বিশেষ করে ইন্টারনেট কীভাবে কাজ করে, কীভাবে পৃথিবীর এক প্রান্তের মানুষ অন্য প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে, কীভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি হয়—এসব প্রশ্ন আমাকে ভীষণভাবে ভাবাত।

সেই কৌতূহল থেকেই প্রযুক্তির সঙ্গে আমার পথচলার শুরু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আগ্রহ পড়াশোনা, কাজ এবং একপর্যায়ে পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। তবে এই পথচলা সব সময় পরিকল্পনামাফিক হয়নি। অনেক কিছু শিখেছি নিজের চেষ্টায়, অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছি অভিজ্ঞতার অভাবে, কিছু সিদ্ধান্ত সঠিক হয়েছে, কিছু ভুল। কখনো প্রত্যাশার চেয়ে বেশি পেয়েছি, কখনো অনেক চেষ্টা করেও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাইনি।

এসব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছেছি।

এত দিন পর কেন লিখতে শুরু করলাম?

আসলে লেখালেখির ইচ্ছা নতুন নয়। অনেক আগে থেকেই নিজের অভিজ্ঞতাগুলো লিখে রাখার কথা ভাবতাম। কিন্তু প্রতিবারই কোনো না কোনো কারণে বিষয়টি পিছিয়ে গেছে।

কখনো কাজের ব্যস্ততা, কখনো নতুন কোনো প্রকল্প, কখনো ব্যক্তিগত দায়িত্ব। আবার কখনো মনে হয়েছে, এসব লিখে কী হবে? কে পড়বে? আদৌ কারও পড়ার প্রয়োজন আছে কি? একসময় বুঝতে পারলাম, সব লেখা অন্য কাউকে পড়ানোর উদ্দেশ্যে লিখতে হয় না। কিছু লেখা নিজের জন্যও হতে পারে।

আমাদের জীবনে প্রতিদিন অসংখ্য ঘটনা ঘটে। কিছু ঘটনা তখন খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, কিছু একেবারেই সাধারণ। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে সেই সাধারণ ঘটনাগুলোর মধ্যেও অনেক অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়। আজ যে বিষয়টিকে খুব স্বাভাবিক মনে হচ্ছে, দশ বছর পর হয়তো সেটিই একটি মূল্যবান স্মৃতি হয়ে উঠবে।

আবার আজকের কোনো চিন্তা বা সিদ্ধান্ত কয়েক বছর পর নিজের কাছেই ভুল মনে হতে পারে। সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সময়ের সঙ্গে মানুষের চিন্তাভাবনা বদলায়, দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়, জীবন সম্পর্কে উপলব্ধিও বদলায়।

আমি সেই পরিবর্তনগুলো ধরে রাখতে চাই। আজ যা ভাবছি, তা লিখে রাখতে চাই। ভবিষ্যতে হয়তো নিজের পুরোনো লেখা পড়ে বুঝতে পারব, সময়ের সঙ্গে আমি কতটা বদলেছি, কী শিখেছি, আর কোন বিষয়গুলো সম্পর্কে আমার ধারণা আগের মতোই রয়ে গেছে।

প্রযুক্তির বাইরেও একটা জীবন আছে

দীর্ঘদিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে করতে জীবনের একটা বড় অংশই কম্পিউটার, সফটওয়্যার, সার্ভার, কোড এবং বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে কেটে গেছে।

একটা সমস্যা সমাধান করতে করতে কখন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে যায়, অনেক সময় বুঝতেই পারি না। নতুন কিছু তৈরি করার আনন্দ যেমন আছে, তেমনি আছে ব্যর্থতা, অনিশ্চয়তা, দায়িত্ব এবং প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শেখার চাপ। একজন ডেভেলপার হিসেবে আমার চিন্তাভাবনা অনেকটাই প্রযুক্তিকেন্দ্রিক। আবার একজন উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিদিন এমন কিছু বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়, যেগুলোর সমাধান কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা কিংবা সফটওয়্যার দিয়ে করা সম্ভব নয়।

মানুষের সঙ্গে কাজ করা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, ভুলের দায় স্বীকার করা, সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা—এসবও একধরনের শিক্ষা। তবে প্রযুক্তি আর ব্যবসার বাইরেও আমার একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। সেখানে পরিবার আছে, সম্পর্ক আছে, সমাজ নিয়ে ভাবনা আছে, ব্যক্তিগত কিছু বিশ্বাস আছে। আছে শৈশবের স্মৃতি, পুরোনো দিনের গল্প, কিছু অপূর্ণ ইচ্ছা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা চিন্তা।

এই ব্লগকে তাই শুধু প্রযুক্তিবিষয়ক লেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। এখানে যেমন প্রযুক্তি নিয়ে লিখব, তেমনি লিখব জীবন নিয়ে, মানুষ নিয়ে, সমাজ নিয়ে। কখনো কোনো ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, কখনো কোনো ঘটনার পর্যবেক্ষণ, আবার কখনো এমন কোনো বিষয় নিয়ে, যা হয়তো অনেক দিন ধরেই আমাকে ভাবাচ্ছে।

সফলতা, ব্যর্থতা এবং আমাদের প্রত্যাশা

আমাদের সমাজে সফলতার কিছু প্রচলিত সংজ্ঞা আছে। ভালো ফলাফল করতে হবে, ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়তে হবে, সম্মানজনক চাকরি করতে হবে, প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। এই ধারাবাহিকতার বাইরে কেউ নিজের পথ তৈরি করতে চাইলে অনেক সময় তাকে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

অথচ প্রত্যেক মানুষের আগ্রহ, সামর্থ্য, পরিস্থিতি এবং জীবনের লক্ষ্য এক নয়। আমি মনে করি, একজন মানুষের সফলতা শুধু তার পেশা, পদবি, আয় কিংবা সামাজিক অবস্থান দিয়ে বিচার করা যায় না। একইভাবে, কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জন করতে না পারলেই তার পুরো জীবনকে ব্যর্থ বলা যায় না।

জীবনে অনেক সিদ্ধান্তের ফলাফল আমরা সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারি না। কোনো সিদ্ধান্ত তখন ভুল মনে হলেও পরবর্তী সময়ে সেটিই নতুন কোনো সম্ভাবনার দরজা খুলে দিতে পারে। আবার অনেক প্রত্যাশিত অর্জনও শেষ পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সন্তুষ্টি এনে দিতে পারে না। নিজের জীবনেও এমন কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে, যেগুলো আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে।

আমি এসব বিষয় নিয়েও লিখতে চাই। তবে কাউকে উপদেশ দেওয়ার জন্য নয়। নিজের দেখা, শেখা এবং উপলব্ধিগুলো তুলে ধরার জন্য। কারণ আমি বিশ্বাস করি, একজন মানুষের অভিজ্ঞতা অন্য আরেকজন মানুষের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলতেই হবে, এমন কোনো কথা নেই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থাকতে নিজের ব্লগ কেন?

আজকের দিনে নিজের চিন্তাভাবনা প্রকাশ করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই সবচেয়ে সহজ জায়গা। একটি স্ট্যাটাস লিখলেই মুহূর্তের মধ্যে অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি সীমাবদ্ধতা আছে। সেখানে প্রতিদিন এত বেশি তথ্য, আলোচনা আর নতুন কনটেন্ট আসে যে, নিজের পুরোনো লেখাগুলোও একসময় হারিয়ে যায়। কয়েক বছর আগে কী লিখেছিলাম, কী ভেবেছিলাম, কোনো বিশেষ ঘটনা সম্পর্কে আমার দৃষ্টিভঙ্গি কী ছিল—এসব খুঁজে বের করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে নিজের একটি ব্লগে লেখাগুলো বিষয় অনুযায়ী সাজিয়ে রাখা যায়। পুরোনো লেখায় ফিরে যাওয়া যায়, প্রয়োজনে নতুন তথ্য যুক্ত করা যায় এবং দীর্ঘ সময় ধরে একটি ব্যক্তিগত আর্কাইভ তৈরি করা সম্ভব।

আমার কাছে এই বিষয়টিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি চাই, আমার লেখাগুলো এমন একটি জায়গায় থাকুক, যেখানে কয়েক বছর পরেও সহজে ফিরে যেতে পারব। হয়তো একদিন আমার সন্তানরাও এই লেখাগুলো পড়বে। জানতে পারবে তাদের বাবা কীভাবে চিন্তা করত, কোন বিষয়গুলো তাকে ভাবাত, কী ধরনের স্বপ্ন দেখত কিংবা জীবনের বিভিন্ন সময়ে কী কী অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে।

সেই সম্ভাবনাটাও আমার কাছে এই ব্লগ তৈরির একটি সুন্দর কারণ।

এখানে কী নিয়ে লিখব?

এই ব্লগের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ভিত্তিক সীমারেখা তৈরি করতে চাই না। তবে কিছু বিষয় আছে, যেগুলো নিয়ে নিয়মিত লেখার ইচ্ছা রয়েছে।

প্রযুক্তির সঙ্গে আমার পরিচয়, শেখার অভিজ্ঞতা, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, প্রযুক্তি নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং এই খাতে কাজ করতে গিয়ে অর্জিত বাস্তব অভিজ্ঞতা এখানে জায়গা পাবে। একইভাবে উদ্যোক্তা জীবনের বিভিন্ন দিক, একটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনার চ্যালেঞ্জ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, ভুল থেকে শেখা এবং নতুন কিছু তৈরি করার অভিজ্ঞতাও লিখতে চাই।

এর পাশাপাশি থাকবে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ, শৈশব ও শিক্ষাজীবনের গল্প, সমাজ সম্পর্কে আমার পর্যবেক্ষণ এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা উপলব্ধি। সব লেখা যে খুব গুরুত্বপূর্ণ কিংবা তথ্যসমৃদ্ধ হবে, এমন নয়। কিছু লেখা হয়তো নিছক স্মৃতিচারণ, কিছু ব্যক্তিগত মতামত, আবার কিছু লেখা হতে পারে একটি সাধারণ ঘটনার বর্ণনা।

আমি চাই, লেখাগুলো যতটা সম্ভব স্বাভাবিক এবং বাস্তব থাকুক।

নিজের মতো করে কিছু কথা

জীবনের এই পর্যায়ে এসে একটা বিষয় বুঝতে পারি—সময় খুব দ্রুত চলে যায়। একসময় যেসব বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ ভাবতাম, আজ সেগুলোর অনেক কিছুই আর আগের মতো গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না। আবার এমন অনেক বিষয় আছে, যেগুলোর গুরুত্ব আগে বুঝিনি, কিন্তু এখন বুঝতে পারি।

মানুষের জীবন আসলে এমনই। প্রতিটি বয়স, প্রতিটি অভিজ্ঞতা এবং প্রতিটি পরিস্থিতি আমাদের নতুন কিছু শেখায়। আমি জানি না, এই ব্লগে কত নিয়মিত লিখতে পারব। জানি না, কতজন মানুষ লেখাগুলো পড়বেন কিংবা আদৌ কারও কাছে এগুলো বিশেষ গুরুত্ব পাবে কি না।

তবে এবার আর এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চাই না। লেখার জন্য সব সময় বিশেষ কোনো উপলক্ষের প্রয়োজন নেই। নিজের কিছু কথা লিখে রাখার ইচ্ছাটাই যথেষ্ট।

আমি এখানে নিজেকে একজন সফল মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করতে চাই না। নিজের প্রতিটি সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টাও করতে চাই না। বরং ভালো-মন্দ, অর্জন-ব্যর্থতা, ভুল-সঠিক—সব মিলিয়ে জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতাগুলো যতটা সম্ভব সৎভাবে তুলে ধরতে চাই।

হয়তো কোনো লেখা পড়ে কেউ নিজের জীবনের সঙ্গে মিল খুঁজে পাবেন। হয়তো কেউ ভিন্নমত পোষণ করবেন। আবার অনেক লেখা হয়তো শুধু আমার নিজের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

সেটাও ঠিক আছে।

শেষ কথা নয়, শুরু

অনেক দিন ধরে ভাবতে থাকা একটি কাজ অবশেষে শুরু করলাম। এই ব্লগ কোনো বিশেষ অর্জনের ঘোষণা নয়, নতুন কোনো পরিচয় তৈরির চেষ্টাও নয়। এটি শুধু নিজের চিন্তাভাবনা, অভিজ্ঞতা এবং স্মৃতিগুলো গুছিয়ে রাখার একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগ।

এখানে লেখা প্রতিটি কথাই যে চূড়ান্ত সত্য হবে, এমন দাবি আমার নেই। সময়ের সঙ্গে আমার ধারণা বদলাতে পারে, কোনো বিষয়ে আগের অবস্থান নতুন অভিজ্ঞতার আলোকে পরিবর্তিত হতে পারে। সেই পরিবর্তনকেও আমি স্বাভাবিকভাবেই দেখতে চাই।

কারণ শেখার কোনো নির্দিষ্ট শেষ নেই। আর জীবন সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিও কখনো সম্পূর্ণ হয় না।

এই ব্লগে আমি শুধু আমার জীবনের গল্প লিখতে চাই না; সময়ের সঙ্গে বদলে যাওয়া নিজের চিন্তাভাবনার একটি ধারাবাহিক স্মৃতিও রেখে যেতে চাই।

কত দূর এগোবে এই লেখালেখি, তা জানি না। আপাতত শুরুটা হোক। নিজের কিছু কথা দিয়ে, নিজের মতো করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close